Latest Update
জামিলা খাতুন লালবাগ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় কেন?
লালবাগ থানায় নারী শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে ১৯৫৯ সালে অত্র এলাকার কতিপয় বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তিবর্গের প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয় ‘লালবাগ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়’। বলা যেতে পারে, এতদঞ্চলে নারী শিক্ষা বিস্তারে এটিই পথিকৃত এবং প্রাচীনতম বালিকা বিদ্যালয়গুলোর অন্যতম। সেই সুদূরের অগ্রযাত্রার বাধাবিপত্তি অপসারণ করে পরবর্তী সময়ে পরিপূর্ণ বালিকা বিদ্যালয়রূপে আত্মপ্রকাশ করেছে আজকের ‘জামিলা খাতুন লালবাগ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়’। লালবাগ এলাকার মানুষের প্রয়োজনে, এতদঞ্চলের সামাজিক রক্ষণশীলতা ও আদর্শ বজায় রেখে যুগের চাহিদা অনুযায়ী মেয়েদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলা এবং নারী সমাজ থেকে অশিক্ষা দূর করে আগামী দিনে সুখী ও সমৃদ্ধশীল জীবনের নিশ্চয়তা বিধানই এ বালিকা বিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।বর্তমান সময়ে অস্থির জীবনবোধ এবং মেয়েদের চলাফেরায় অনিশ্চয়তা থেকে এ বিদ্যালয়ের পরিবেশ সম্পূর্ণ মুক্ত। বাইরের কোলাহল, নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলামুক্ত পরিবেশে অভিজ্ঞ ও নিবেদিত প্রাণ শিক্ষকম-লীর সযত্ব তত্ত্বাবধানে এখানে মেয়েরা পাচ্ছে আদর্শ শিক্ষা। এস.এস.সি পরীক্ষায় পাশের হার উত্তম। আগামীতে এর চেয়েও ভাল ফলের আশায় আমাদের শিক্ষকবৃন্দ অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ এবং গুণগত মান উন্নয়নের জন্য বিদ্যালয়ের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ সচেতন ও ওয়াদাবদ্ধ। তারা বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য বহুবিধ সুচিন্তিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। বিদ্যালয়ে মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় পাঠের সুযোগ আছে।আপনার মেয়েকে নারী শিক্ষা বিস্তারে আদর্শ স্থানীয় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করে উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত করে উন্নত ও গৌরবদীপ্ত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের উপর ন্যস্ত করার জন্য আপনাকে সনির্বন্ধ অনুরোধ জানাচ্ছি।
স্কুলের শৃঙ্খলা বিষয়ক কতিপয় নিয়ম-নীতি
১। পোশাক-পরিচ্ছদ সম্পর্কীয় :
ক) প্রতিদিন বিদ্যালয়ের ইউনিফরম পরিধান করে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে হবে।
ইউনিফরম: সাদা সালওয়ার, সাদা ওড়না, গাঢ় নীল বর্ডারসহ প্লেন হাফ হাতা, গোল গলা হালকা আকাশী নীল রং এর কামিজ সঙ্গে একই রং এর বেল্ট, গাঢ় নীল বর্ডারসহ সাদা স্কার্ফ, সাদা জুতা ও সাদা মোজা।
খ) পোশাক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
২। বেতনাদি সম্পর্কীয় :
বইটি যত্ন সহকারে সংরক্ষণ করতে হবে। বেতন বই হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলে ১০০/- (একশত) টাকা জরিমানা দিয়ে নতুন বেতন বই বিদ্যালয়ের অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হবে।
প্রত্যেক মাসের বেতন প্রতি মাসের ১৫ তারিখ অথবা ২৫ তারিখ শ্রেণি শিক্ষকের নিকট পরিশোধ করতে হবে। উক্ত দিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকলে পরবর্তী খোলার দিন বেতন আদায় করতে হবে। ২ মাসের বেতন এক মাসে দিলে বিলম্ব ফি বাবদ ১০/- (দশ) টাকা এবং ৩ মাসের বেতন এক সাথে দিলে বিলম্ব ফি ২০/- (বিশ) টাকা কিন্তু পর পর ২ মাস বেতন পরিশোধ না করলে ৩য় মাস হতে তার হাজিরা ডাকা হবে না এবং পর পর ৩ মাস বেতন পরিশোধ না করলে ৪র্থ মাসে তার নাম কর্তন করা হবে এবং পুন:ভর্তি ফি ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা এবং অন্যান্য বকেয়াদি পরিশোধ করে প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে হাজিরা খাতায় নাম তুলতে হবে।
বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জরিমানা প্রতিদিন ২০/- (বিশ) টাকা হারে বেতনের সঙ্গে আদায় করতে হবে।
প্রতি সাময়িক পরীক্ষার পূর্বে বেতন পরিশোধের প্রমাণপত্র (রশিদ বই) দেখিয়ে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
৩। নিয়ম-শৃঙ্খলা বিষয়ক :
ক) প্রতিদিন সময়মত বিদ্যালয়ে হাজির থাকতে হবে। স্কুলের প্রাত্যহিক সমাবেশ শুরু হওয়ার ১০ মিনিট পূর্বে বিদ্যালয়ে আসতে হবে।
খ) বিদ্যালয়ে হাজির হবার পর বিনা অনুমতিতে কোন ছাত্রী বিদ্যালয় ত্যাগ করতে পারবে না।
গ) প্রকৃত অভিভাবকের আবেদনের ভিত্তিতে অথবা বিশেষ ক্ষেত্রে অর্ধদিবস ছুটি দেওয়া যেতে পারে।
ঘ) প্রত্যেক ছাত্রীকে টিফিনের খাবার ও বিশুদ্ধ পানি বাড়ি থেকে সঙ্গে করে নিয়ে আসতে হবে।
ঙ) প্রতিদিন প্রয়োজনীয় বই এবং খাতাপত্র নিয়ে স্কুলে আসতে হবে।
চ) প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন শিখে আসতে হবে।
৪। পরীক্ষা সম্পর্কীয় :
ক) বিদ্যালয়ের প্রতি শিক্ষাবর্ষে ২টি পরীক্ষা : ২টি মডেল টেস্ট, অর্ধ-বার্ষিক ও বার্ষিক, প্রাক-নির্বাচনি ও নির্বাচনি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করা হবে।
খ) পরীক্ষার প্রগতিপত্র অবশ্যই প্রকৃত অভিভাবকের স্বাক্ষরসহ ফলাফল প্রাপ্তির সাতদিনের মধ্যে শ্রেণি শিক্ষকের নিকট জমা দিতে হবে। অন্যথায় ২০/-টাকা জরিমানা দিতে হবে।
গ) কোন কারণে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারলে উপযুক্ত কারণ উল্লেখ করে অভিভাবকের স্বাক্ষরসহ আবেদনপত্র শ্রেণি শিক্ষকের নিকট জমা দিতে হবে।
প্রধান শিক্ষক